তাইওয়ানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণ চায় চীন
চীনের তাইওয়ান কার্যক্রম বিষয়ক প্রধান লিউ জিই বলেছেন, চীন-তাইওয়ানের একত্রীকরণে ‘এক দেশ, দুই নীতি’ কিংবা ‘শান্তিপূর্ণ পুনিরেকত্রীকরণই’ সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে।
বিচ্ছিন্নতাবাদবিরোধী আইনের ১৫তম বার্ষিকীতে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, পুনরেকত্রীকরণের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ ব্যর্থ হবে।-খবর রয়্টার্স
এদিকে যদি স্বাধীন হওয়া বন্ধে আর কোনো উপায় না থাকে তবে তাইওয়ানে হামলা চালাবে চীন। দেশটির এক শীর্ষ জেনারেল শুক্রবার এমন কথা বলেছেন।
গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত দ্বীপটিকে চীনের নিজের দাবি করা নিয়ে সম্প্রতি উত্তেজনা বাড়ছে।
তাইওয়ান যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কিংবা আলাদা হতে চেষ্টা করে; তখন দ্বীপটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার আইনি ভিত্তি দেয়া হয়েছে ২০০৫ সালের এই আইনে।
তিনি বলেন, যদি শান্তিপূর্ণ পুনরেকত্রীকরণের সম্ভাবনা নাকচ হয়ে যায়, তবে বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপ কিংবা ষড়যন্ত্র গুঁড়িয়ে দিতে চীনের সশস্ত্র বাহিনী তাইওয়ানের জনগণসহ পুরো জাতিকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, বলপ্রয়োগ করা হবে না বলে কখনো আমরা প্রতিশ্রুতি দিইনি। তাইওয়ান প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীল করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পথ খোলা আছে।
চীনের যে অল্প কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আছে, লি তাদের একজন। ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামে চীনের অভিযানে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।
তাইওয়ান হচ্ছে চীনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর আঞ্চলিক ইস্যু। চীন মনে করে, তাইওয়ান তাদের একটি প্রদেশ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।