ভ্রমণে পৃথিবীর ১০ শহর
পর্যটন ডেস্কঃ যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি থেকে বাঁচতে মন চায় একটুখানি শান্তির পরশ। নিচে উল্লেখিত স্থানগুলো হতে পারে সেই শান্তির জাদুর কাঠি; যার পরশে ভুলে যেতে পারেন ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি। পারিবারিকভাবে, ব্যক্তি উদ্যোগে অথবা বন্ধুদের নিয়ে ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরে আসতে পারেন পৃথিবীর অন্যতম ১০টি শহর। অর্থসূচকের পক্ষ থেকে তা তুলে ধরা হলো
১০। সাংহাই : চীনের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাংশের একটি প্রধান শহরের নাম সাংহাই। শহরটিতে প্রতি বছর প্রায় ৬৭ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করে।
৯।হংকং: হংকং ২৬০ টিরও বেশি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলটি পার্ল রিভার ডেল্টার পূর্ব দিকে অবস্থিত। এর উত্তরে চীনের কুয়াংতুং প্রদেশ এবং পূর্ব, পশ্চিম আর দক্ষিণে দক্ষিণ চীন সাগর অবস্থিত। শহরটিতে প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক ভ্রমন করে।
৮। ইস্তানবুলঃ তুরস্কের অন্যতম প্রধান শহর। এটি তুরস্কের সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির কেন্দ্রস্থল। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি দুটি মহাদেশকে বিভক্ত করেছে। প্রতি বছর প্রায় ৭৫ লাখ পর্যটক এই শহরে ভ্রমন করে।
৭। দুবাইঃ মধ্যপ্রাচ্যের প্রাণকেন্দ্র দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাতটি প্রদেশের মধ্যে একটি। প্রতি বছর প্রায় ৭৬ লাখ পর্যটক ভ্রমন করে দুবাই শহরটিতে।
৬। নিউইয়র্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকুলের বৃহত্তম শহর নিউইয়র্ক সিটি। এই শহরের লিবার্টি আইল্যান্ডে বিখ্যাত ষ্ট্যাচু অব লিবার্টি অবস্থিত। এছাড়া এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং, এলিস আইল্যান্ড, ব্রডওয়ে থিয়েটার প্রোডাকসন্স, আর্ট মেট্রোপলিটান জাদুঘর , সেন্ট্রাল পার্ক, ওয়াশিংটন স্কোয়ার পার্ক, রকফেলার সেন্টার, টাইমস স্কয়ার ইত্যাদি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। প্রতি বছর শহরটিতে প্রায় ৮৭ লাখ পর্যটক ভ্রমন করে।
৫। কুয়ালালামপুরঃ মালয়েশিয়ার রাজধানী ও প্রধান শহর কুয়ালালামপুর। পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিবছর প্রায় ৮৯ লাখ পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত হয় কুয়ালালামপুর।
৪। সিঙ্গাপুরঃ সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের মালয় উপদ্বীপের নিকটে অবস্থিত। নানা দর্শনীয় স্থানে ভরপুর সিঙ্গাপুরে প্রতি বছর প্রায় ৯৭ লাখ পর্যটক ভ্রমন করে।
৩। ব্যাংককঃ থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। শহরটি চাও ফ্রায়া নদীর পূর্ব তীরে থাইল্যান্ড উপসাগরের সন্নিকটে অবস্থিত। গ্র্যান্ড প্রাসাদ, ওয়াট ফো এবং ওয়াট অরুণ পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান। এখানকার খাবারের খ্যাতি দুনিয়াজোড়া। শহরটিতে প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ২ লাখ পর্যটক ভ্রমন করে।
২। লন্ডনঃ ইংল্যান্ডের টেম্স্ নদীর তীরে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন শহরটি। ট্রাফাল্গার স্কয়ার, লন্ডন ব্রিজ, কোবেন্ট গার্ডেন, লন্ডন আই, লন্ডন চিড়িয়াখানা, প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর, গ্লোব থিয়েটার, চার্লস ডিকেন্স যাদুঘর এবং মাদাম তুসো. বিগ বেন ইত্যাদি শহরটির দর্শনীয় স্থান। প্রতি বছর প্রায় ১৪ লাখ পর্যটক লন্ডনে ভ্রমণ করতে যায়।
১। প্যারিসঃ উত্তর ফ্রান্সে ইল-দ্য-ফ্রঁস অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্রে সেন নদীর তীরে অবস্থিত ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।আইফেল টাওয়ার, নোত্র্ দাম গির্জা, শঁজেলিজে সড়ক, আর্ক দ্য ত্রিয়োমফ, বাজিলিক দ্যু সক্রে ক্যর, লেজাভালিদ্, পন্তেওঁ, গ্রঁদ আর্শ, পালে গার্নিয়ে, ল্যুভ্র্, ম্যুজে দর্সে, ম্যুজে নাসিওনাল দার মোদের্ন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ পর্যটক প্যারিস ভ্রমণ করে।