ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

পেঁয়াজ রফতানির অবশিষ্ঠ 20 শতাংশ শুল্ক তুলে নিল ভারত

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫ ২১ বার পঠিত

পেঁয়াজ রফতানির শুল্ক তুলে নিল ভারত

পেঁয়াজ রফতানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারত, যা আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় সময় শনিবার (২২ মার্চ) দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যূনতম দর বেঁধে দেওয়াসহ পেঁয়াজ রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপের প্রায় ছয় মাস পর এ সিদ্ধান্ত নিল ভারত।

নয়াদিল্লি বলছে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পেঁয়াজ রফতানিতে দেশটিতে প্রায় ১০ মাস ধরে যে শুল্ক বসছে, তার শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।

ওই সময় অভ্যন্তরীণ ঘাটতির আশঙ্কায় পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করে ভারত।

সেই সময়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই পেঁয়াজ রফতানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকলে রফতানি বন্ধ থাকায় সে সুবিধা নিতে পারছিলেন না দেশটির কৃষকরা। এ নিয়ে তখন আন্দোলনে নামেন তারা।

আন্দোলনের মুখে এবং লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ মে পণ্যটির রফতানি ক্যাটাগরি ‘নিষিদ্ধ’ থেকে ‘অবাধ’ করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে ৪০ শতাংশ রফতানি শুল্ক এবং প্রতিটনের ন্যূনতম মূল্য ৫৫০ ডলার ঠিক করে দেয়। ৪০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার ভোট সামনে রেখে ১৩ সেপ্টেম্বর রফতানি শুল্ক নামানো হয় ২০ শতাংশে, ১ এপ্রিল থেকে সেটাও আর থাকছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পেঁয়াজ রফতানির অবশিষ্ঠ 20 শতাংশ শুল্ক তুলে নিল ভারত

আপডেট সময় : ১২:১৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

পেঁয়াজ রফতানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারত, যা আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় সময় শনিবার (২২ মার্চ) দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যূনতম দর বেঁধে দেওয়াসহ পেঁয়াজ রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপের প্রায় ছয় মাস পর এ সিদ্ধান্ত নিল ভারত।

নয়াদিল্লি বলছে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পেঁয়াজ রফতানিতে দেশটিতে প্রায় ১০ মাস ধরে যে শুল্ক বসছে, তার শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।

ওই সময় অভ্যন্তরীণ ঘাটতির আশঙ্কায় পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করে ভারত।

সেই সময়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই পেঁয়াজ রফতানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকলে রফতানি বন্ধ থাকায় সে সুবিধা নিতে পারছিলেন না দেশটির কৃষকরা। এ নিয়ে তখন আন্দোলনে নামেন তারা।

আন্দোলনের মুখে এবং লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ মে পণ্যটির রফতানি ক্যাটাগরি ‘নিষিদ্ধ’ থেকে ‘অবাধ’ করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে ৪০ শতাংশ রফতানি শুল্ক এবং প্রতিটনের ন্যূনতম মূল্য ৫৫০ ডলার ঠিক করে দেয়। ৪০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার ভোট সামনে রেখে ১৩ সেপ্টেম্বর রফতানি শুল্ক নামানো হয় ২০ শতাংশে, ১ এপ্রিল থেকে সেটাও আর থাকছে না।