ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের ওপর খবরদারি সহ্য করব না: ডা. শফিকুর রহমান

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৫ বার পঠিত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কারো লাল চোখকে ভয় করি না। আমরা কারো ওপর খবরদারি করতে চাই না। আবার আমাদের দেশের ওপর কেউ খবরদারি করুক সেটাও সহ্য করব না। আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের রুখে দেব।

তিনি বলেন, ‘ভয় পেও না চাঁদাবাজ, তোমারাও এই সমাজের মানুষ। তোমাদেরকেও সম্মানজনক কাজ দেব। সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারবা। তোমার মাকে কেউ আর চাঁদাবাজের মা বলবে না। তোমার স্ত্রীকে কেউ চাঁদাবাজের স্ত্রী বলে খোটা দেবে না।’

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত ৫৪ বছর উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্য নদীগুলোতে প্রবাহমান রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদী জীবিত হলে উত্তরবঙ্গ প্রাণ পাবে।’

তিনি বলেন, ‘যদি চুরির টাকাগুলো ফেরত নিতে পারি, আর নতুন চোরদের হাত বন্ধ করে দিতে পারি; তাহলে ভালো উন্নয়ন করতে পারব।’

এই মাটিকে ভালোবাসি উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘শত জুলুমের পরও আমরা কোথাও চলে যাইনি। আল্লাহ সুযোগ দিলে আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা আমীর সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল করিম, পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর আসনের প্রার্থী মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, সুন্দরগঞ্জ আসনের প্রার্থী মাজেদুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ আসনের প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনের প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ সরকার, জনসভা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা জহুরুল হক সরকার, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও ফয়সাল কবির রানা, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান প্রমুখ।

বক্তব্য শেষে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধা জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পাঁচজনকে আপনাদের কাছে আমানত হিসেবে রেখে গেলাম। এই আমানতকে আপনারা আমাদেরকে উপহার দেবেন।’

গাইবান্ধার জনসভা শেষে বগুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি।বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে পাবনায় যাবেন জামায়ত আমির। সেখানে জনসভা শেষ করে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের ওপর খবরদারি সহ্য করব না: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কারো লাল চোখকে ভয় করি না। আমরা কারো ওপর খবরদারি করতে চাই না। আবার আমাদের দেশের ওপর কেউ খবরদারি করুক সেটাও সহ্য করব না। আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের রুখে দেব।

তিনি বলেন, ‘ভয় পেও না চাঁদাবাজ, তোমারাও এই সমাজের মানুষ। তোমাদেরকেও সম্মানজনক কাজ দেব। সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারবা। তোমার মাকে কেউ আর চাঁদাবাজের মা বলবে না। তোমার স্ত্রীকে কেউ চাঁদাবাজের স্ত্রী বলে খোটা দেবে না।’

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত ৫৪ বছর উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্য নদীগুলোতে প্রবাহমান রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদী জীবিত হলে উত্তরবঙ্গ প্রাণ পাবে।’

তিনি বলেন, ‘যদি চুরির টাকাগুলো ফেরত নিতে পারি, আর নতুন চোরদের হাত বন্ধ করে দিতে পারি; তাহলে ভালো উন্নয়ন করতে পারব।’

এই মাটিকে ভালোবাসি উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘শত জুলুমের পরও আমরা কোথাও চলে যাইনি। আল্লাহ সুযোগ দিলে আমরা আপনাদের সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা আমীর সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল করিম, পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর আসনের প্রার্থী মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, সুন্দরগঞ্জ আসনের প্রার্থী মাজেদুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ আসনের প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনের প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ সরকার, জনসভা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা জহুরুল হক সরকার, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও ফয়সাল কবির রানা, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান প্রমুখ।

বক্তব্য শেষে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধা জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পাঁচজনকে আপনাদের কাছে আমানত হিসেবে রেখে গেলাম। এই আমানতকে আপনারা আমাদেরকে উপহার দেবেন।’

গাইবান্ধার জনসভা শেষে বগুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি।বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে পাবনায় যাবেন জামায়ত আমির। সেখানে জনসভা শেষ করে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।