ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পঠিত

আসামি শাহাদাত হোসেন।

নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের (বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত শিশু আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আসমা। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ৯ দিন পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আসামি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই শাহাদাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে আসমাকে ধর্ষণ করে শাহাদাত। ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট সেলিম শাহী জানান, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আশা করব- এই রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের (বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত শিশু আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আসমা। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ৯ দিন পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আসামি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই শাহাদাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে আসমাকে ধর্ষণ করে শাহাদাত। ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট সেলিম শাহী জানান, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আশা করব- এই রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।