ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির খবরে তেলের দামে বড় পতন

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৭ বার পঠিত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির খবরের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নাটকীয় ঘোষণার পর কমা শুরু করে তেলের দাম।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে, অন্যদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে যায়। এর আগে, ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টাপাল্টি হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স হোলমস বলেন, বাজারে স্বস্তি ফিরলেও যুদ্ধবিরতি কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে কিনা—তা বোঝার জন্য ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের পদক্ষেপগুলো নজরে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে, তাই বাজার এখনো ‘অপেক্ষা করে দেখার’ অবস্থায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতির খবরে তেলের দামে বড় পতন

আপডেট সময় : ০২:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির খবরের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নাটকীয় ঘোষণার পর কমা শুরু করে তেলের দাম।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে, অন্যদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে যায়। এর আগে, ইরানের তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টাপাল্টি হিসেবে তেহরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স হোলমস বলেন, বাজারে স্বস্তি ফিরলেও যুদ্ধবিরতি কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে কিনা—তা বোঝার জন্য ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের পদক্ষেপগুলো নজরে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে, তাই বাজার এখনো ‘অপেক্ষা করে দেখার’ অবস্থায় রয়েছে।