ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রাণ গেল বাংলাদেশী তরুণের স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সাথে গাদ্দারি হবে -প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে হবে : শিক্ষামন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডি-সিইও’র নিয়োগ বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড, ছেলের মরদেহ শুধু একবার দেখতে চান বাবা–মা সরকারি চাকরিজীবীরা এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন, আগের হারে ভাতা দেওয়া হবে ‘ডাবল ডায়াবেটিস’ কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ? প্রাথমিক লক্ষণ, কারণ ও জটিলতা এড়ানোর উপায় নির্বাচনে জামায়াত কেন নারী প্রার্থী দেয়নি, যে ব্যাখ্যা দিলেন মারদিয়া মমতাজ

যুক্তরাষ্ট্রের ভল্ট থেকে ১,২৩৬ টন স্বর্ণ প্রত্যাহারের আহ্বান জার্মান অর্থনীতিবিদদের

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৩৭ বার পঠিত

নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভের ভল্টে সংরক্ষিত রয়েছে জার্মানির প্রায় ১৬৪ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মোট ১,২৩৬ টন স্বর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইউরোপের তথা ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিবর্তনে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনিশ্চিত আচরণের প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে সংরক্ষিত জার্মানির বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জোরালো হচ্ছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর জার্মানির কাছেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় স্বর্ণভাণ্ডার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৬৪ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মোট ১,২৩৬ টন স্বর্ণ নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভের ভল্টে সংরক্ষিত আছে। জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডয়চে বুন্ডেসব্যাংকের সাবেক প্রধান গবেষক ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ইমানুয়েল মোঁখ বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বর্ণ রাখা “অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ” উল্লেখ করে তা দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

জার্মানির অর্থনৈতিক দৈনিক হান্ডেলসব্লাটকে তিনি বলেন, “বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে এত বেশি স্বর্ণ রাখা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত নির্ভরতা কমানোর স্বার্থে বুন্ডেসব্যাংকের উচিত স্বর্ণ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।”

যদিও জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের মুখপাত্র স্টেফান কর্নেলিয়াস সম্প্রতি বলেছেন, এই মুহূর্তে স্বর্ণভাণ্ডার প্রত্যাহারের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেই।

তবে মোঁখ একা নন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত নির্ভরতা কমানোর যে প্রচেষ্টা ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি জার্মানি করছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই অনেক অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ এমন পদক্ষেপের পক্ষে মত দিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের ভল্ট থেকে ১,২৩৬ টন স্বর্ণ প্রত্যাহারের আহ্বান জার্মান অর্থনীতিবিদদের

আপডেট সময় : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভের ভল্টে সংরক্ষিত রয়েছে জার্মানির প্রায় ১৬৪ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মোট ১,২৩৬ টন স্বর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইউরোপের তথা ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিবর্তনে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনিশ্চিত আচরণের প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে সংরক্ষিত জার্মানির বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জোরালো হচ্ছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর জার্মানির কাছেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় স্বর্ণভাণ্ডার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৬৪ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মোট ১,২৩৬ টন স্বর্ণ নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভের ভল্টে সংরক্ষিত আছে। জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডয়চে বুন্ডেসব্যাংকের সাবেক প্রধান গবেষক ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ইমানুয়েল মোঁখ বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বর্ণ রাখা “অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ” উল্লেখ করে তা দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

জার্মানির অর্থনৈতিক দৈনিক হান্ডেলসব্লাটকে তিনি বলেন, “বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে এত বেশি স্বর্ণ রাখা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত নির্ভরতা কমানোর স্বার্থে বুন্ডেসব্যাংকের উচিত স্বর্ণ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।”

যদিও জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের মুখপাত্র স্টেফান কর্নেলিয়াস সম্প্রতি বলেছেন, এই মুহূর্তে স্বর্ণভাণ্ডার প্রত্যাহারের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেই।

তবে মোঁখ একা নন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত নির্ভরতা কমানোর যে প্রচেষ্টা ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি জার্মানি করছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই অনেক অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ এমন পদক্ষেপের পক্ষে মত দিচ্ছেন।