ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী বাজেটে বাড়তি করের খড়গ আসবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বার পঠিত

আসন্ন ২০২৬২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো খড়গ নামবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, রাজস্ব শৃঙ্খলা আনতে আমাদের করের আওতা বাড়ানো দরকার। এই করের আওতা বাড়াতে আমরা ব্যক্তিশ্রেণির কর বাড়াচ্ছি না, বরং করদাতার সংখ্যা বাড়াচ্ছি। আমার বিশ্বাস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়ে যে পরিকল্পনা কাজ করছে, তার ইতিবাচক প্রতিফলন আগামী বাজেট পরবর্তী বছরে আপনারা দেখতে পাবেন। আপনাদের জন্য কোনো খড়গ নামছেএমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রাকবাজেট আলোচনা ২০২৬২০২৭, বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে এমনটা জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সার জ্বালানি খাতে সরকারের বাড়তি ব্যয় হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জিটুজি চুক্তির আওতায় যে এলএনজি আমার স্পট মার্কেট থেকে ১০ ডলারে কিনতাম, এখন সেটি কিনতে হচ্ছে ২০ ডলারে। যে ক্রুড অয়েল ৫০৬০ ডলারে কিনতাম, সেটি এখন কিনতে হচ্ছে ১১৬ ডলারে। যে সার আমরা ৪৫৬ ডলারে কিনতাম, সেটা ৮০০ ডলারে কিনতে হচ্ছে।
 
তিনি বলেন, দেশে কোনোকিছুর স্টোরেজ অ্যারেঞ্জমেন্ট নেই। আজকে যদি আমাদের কাছে মাস রাখার মতো এলএনজির মজুদ থাকত তাহলে ১০ ডলারের এলএনজি স্পট মার্কেট থেকে ২০ ডলারে কিনতে হতো না। পৃথিবীর প্রতিটি দেশে আমদানিনির্ভর প্রতিটি পণ্যের স্ট্রেটেজিক রিজার্ভ আছে, শুধুমাত্র বাংলাদেশে নেই। আগামী দিনে আমরা এসব বিষয়ে কাজ করার পাশাপাশি প্রক্রিয়াগুলো আরও সহজ করতে কাজ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী বাজেটে বাড়তি করের খড়গ আসবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন ২০২৬২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো খড়গ নামবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, রাজস্ব শৃঙ্খলা আনতে আমাদের করের আওতা বাড়ানো দরকার। এই করের আওতা বাড়াতে আমরা ব্যক্তিশ্রেণির কর বাড়াচ্ছি না, বরং করদাতার সংখ্যা বাড়াচ্ছি। আমার বিশ্বাস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়ে যে পরিকল্পনা কাজ করছে, তার ইতিবাচক প্রতিফলন আগামী বাজেট পরবর্তী বছরে আপনারা দেখতে পাবেন। আপনাদের জন্য কোনো খড়গ নামছেএমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রাকবাজেট আলোচনা ২০২৬২০২৭, বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে এমনটা জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সার জ্বালানি খাতে সরকারের বাড়তি ব্যয় হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জিটুজি চুক্তির আওতায় যে এলএনজি আমার স্পট মার্কেট থেকে ১০ ডলারে কিনতাম, এখন সেটি কিনতে হচ্ছে ২০ ডলারে। যে ক্রুড অয়েল ৫০৬০ ডলারে কিনতাম, সেটি এখন কিনতে হচ্ছে ১১৬ ডলারে। যে সার আমরা ৪৫৬ ডলারে কিনতাম, সেটা ৮০০ ডলারে কিনতে হচ্ছে।
 
তিনি বলেন, দেশে কোনোকিছুর স্টোরেজ অ্যারেঞ্জমেন্ট নেই। আজকে যদি আমাদের কাছে মাস রাখার মতো এলএনজির মজুদ থাকত তাহলে ১০ ডলারের এলএনজি স্পট মার্কেট থেকে ২০ ডলারে কিনতে হতো না। পৃথিবীর প্রতিটি দেশে আমদানিনির্ভর প্রতিটি পণ্যের স্ট্রেটেজিক রিজার্ভ আছে, শুধুমাত্র বাংলাদেশে নেই। আগামী দিনে আমরা এসব বিষয়ে কাজ করার পাশাপাশি প্রক্রিয়াগুলো আরও সহজ করতে কাজ করব।