ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রাণ গেল বাংলাদেশী তরুণের স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সাথে গাদ্দারি হবে -প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে হবে : শিক্ষামন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডি-সিইও’র নিয়োগ বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড, ছেলের মরদেহ শুধু একবার দেখতে চান বাবা–মা সরকারি চাকরিজীবীরা এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন, আগের হারে ভাতা দেওয়া হবে ‘ডাবল ডায়াবেটিস’ কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ? প্রাথমিক লক্ষণ, কারণ ও জটিলতা এড়ানোর উপায় নির্বাচনে জামায়াত কেন নারী প্রার্থী দেয়নি, যে ব্যাখ্যা দিলেন মারদিয়া মমতাজ

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণে বিল পাস

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৫১২ বার পঠিত

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

 

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

 

 

‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি আজ রোববার সংসদে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো: আব্দুল বারী।

বিলে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিদ্যমান কিছু নিয়োগ বিধিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর নির্ধারিত থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। ফলে সব ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের কারণে বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি দেখা দেয়।

এই জটিলতা নিরসনে পরবর্তী সময়ে সংশোধনী এনে ২০২৫ সালে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

বাংলাদেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন বলে বিলে উল্লেখ করা হয়।

বিলে আরো বলা হয়, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ বাড়বে, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে সহায়ক হবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (বিপিএসসি) ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (বিসিএস) সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ কারণে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণে বিল পাস

আপডেট সময় : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

 

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

 

 

‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি আজ রোববার সংসদে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো: আব্দুল বারী।

বিলে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ২০২৪ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিদ্যমান কিছু নিয়োগ বিধিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর নির্ধারিত থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। ফলে সব ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণের কারণে বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি দেখা দেয়।

এই জটিলতা নিরসনে পরবর্তী সময়ে সংশোধনী এনে ২০২৫ সালে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

বাংলাদেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন বলে বিলে উল্লেখ করা হয়।

বিলে আরো বলা হয়, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ বাড়বে, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে সহায়ক হবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (বিপিএসসি) ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (বিসিএস) সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ কারণে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।