ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রাণ গেল বাংলাদেশী তরুণের স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সাথে গাদ্দারি হবে -প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে হবে : শিক্ষামন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডি-সিইও’র নিয়োগ বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড, ছেলের মরদেহ শুধু একবার দেখতে চান বাবা–মা সরকারি চাকরিজীবীরা এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন, আগের হারে ভাতা দেওয়া হবে ‘ডাবল ডায়াবেটিস’ কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ? প্রাথমিক লক্ষণ, কারণ ও জটিলতা এড়ানোর উপায় নির্বাচনে জামায়াত কেন নারী প্রার্থী দেয়নি, যে ব্যাখ্যা দিলেন মারদিয়া মমতাজ

এইচএসসির ফল: সোয়া ৪ লাখের বেশি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ ৮৩৫ বার পঠিত

এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট হতে না পেরে সারা দেশের প্রায় সোয়া দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী তাদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ জন পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন।

শিক্ষা বোর্ডগুলো জানিয়েছে, আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে এই পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। গত ১৬ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল দেওয়ার নিয়ম থাকায় এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, ‘২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজারটি পত্রের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। রেওয়াজ মেনে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে।’

গত ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে আবেদনের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছরই এই সুযোগ দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয় না, কেবল প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে দেওয়া নম্বরগুলো নতুন করে যোগ করে দেখা হয় কোনো ত্রুটি আছে কি না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আবেদনকারীদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ৬৬ হাজার ১৫০ জন শিক্ষার্থী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতার জন্য আবেদন করেছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ৭ হাজার ৯১৬ জন পরীক্ষার্থী ১৪ হাজার ৭৩৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।

অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২ হাজার ৫৯৫ জন পরীক্ষার্থী ৪৬ হাজার ১৪৮টি, কুমিল্লা বোর্ডে ২২ হাজার ৫০৩ জন ৪২ হাজার ৪৪টি, যশোর বোর্ডে ২০ হাজার ৩৯৫ জন ৩৬ হাজার ২০৫টি এবং রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৯২৪ জন ৩৬ হাজার ১০২টি খাতার জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া দিনাজপুর বোর্ডে ১৭ হাজার ৩১৮, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৫ হাজার ৫৯৮, সিলেট বোর্ডে ১৩ হাজার ৪৪, বরিশাল বোর্ডে ৮ হাজার ১১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী তাদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এইচএসসির ফল: সোয়া ৪ লাখের বেশি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন

আপডেট সময় : ০১:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট হতে না পেরে সারা দেশের প্রায় সোয়া দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী তাদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ জন পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন।

শিক্ষা বোর্ডগুলো জানিয়েছে, আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে এই পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। গত ১৬ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল দেওয়ার নিয়ম থাকায় এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, ‘২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজারটি পত্রের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। রেওয়াজ মেনে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে।’

গত ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে আবেদনের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছরই এই সুযোগ দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয় না, কেবল প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে দেওয়া নম্বরগুলো নতুন করে যোগ করে দেখা হয় কোনো ত্রুটি আছে কি না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আবেদনকারীদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ৬৬ হাজার ১৫০ জন শিক্ষার্থী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতার জন্য আবেদন করেছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ৭ হাজার ৯১৬ জন পরীক্ষার্থী ১৪ হাজার ৭৩৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।

অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২ হাজার ৫৯৫ জন পরীক্ষার্থী ৪৬ হাজার ১৪৮টি, কুমিল্লা বোর্ডে ২২ হাজার ৫০৩ জন ৪২ হাজার ৪৪টি, যশোর বোর্ডে ২০ হাজার ৩৯৫ জন ৩৬ হাজার ২০৫টি এবং রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৯২৪ জন ৩৬ হাজার ১০২টি খাতার জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া দিনাজপুর বোর্ডে ১৭ হাজার ৩১৮, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৫ হাজার ৫৯৮, সিলেট বোর্ডে ১৩ হাজার ৪৪, বরিশাল বোর্ডে ৮ হাজার ১১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী তাদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।