ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ আর্জেন্টিনার হয়ে তুমি যা জিতেছ, তার প্রতি শ্রদ্ধা—মেসিকে রোনালদো যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাল বাংলাদেশ শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি পেশা ও শ্রমজীবী মানুষের নাভিশ্বাস, নাগালের বাইরে জীবনযাপনের ব্যয় ১০১ ডলার ছাড়াল তেলের দাম শিশুর সঠিক বিকাশে দেশের ভবিষ্যৎ মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল,আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই টেসলা-মার্সিডিজ গাড়ির চেয়েও মাল্টায় শুল্ক-কর বেশি

জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ছাড়বে জি-৭

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে আগামী চার মাসে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো। এক বৈঠকের পর এ বিষয়ে সম্মতির কথা জানিয়েছে জোটের নেতারা। পাশাপাশি জ্বালানি রপ্তানিতে নতুন করে কোনো বিধিনিষেধ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা। অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশকেও একই নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মাধ্যমে চার মাস ধরে মোট ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি সরবরাহের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা হবে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিবৃতিতে জি-৭ নেতারা জানান, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ডিজেলসহ জ্বালানি ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। তারা বলেন, বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে—এমন কোনো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি তারা পুনর্ব্যক্ত করছেন। একই সঙ্গে অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশকেও এ ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জ্বালানির মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে নেতারা বলেন, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন হলে সমন্বিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পর জি-৭ নেতাদের নিয়ে জরুরি ভিডিও বৈঠকের আয়োজন করেন ম্যাক্রোঁ। ব্রিটেন, জাপান, কানাডা, জার্মানি ও ইতালিসহ জোটের সদস্যরা ওই আলোচনায় অংশ নেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার এমন অবস্থান ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য উদ্বেগ তৈরি করে। কারণ অঞ্চলটি জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ছাড়বে জি-৭

আপডেট সময় : ১১:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে আগামী চার মাসে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো। এক বৈঠকের পর এ বিষয়ে সম্মতির কথা জানিয়েছে জোটের নেতারা। পাশাপাশি জ্বালানি রপ্তানিতে নতুন করে কোনো বিধিনিষেধ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা। অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশকেও একই নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মাধ্যমে চার মাস ধরে মোট ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি সরবরাহের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা হবে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিবৃতিতে জি-৭ নেতারা জানান, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ডিজেলসহ জ্বালানি ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। তারা বলেন, বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে—এমন কোনো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি তারা পুনর্ব্যক্ত করছেন। একই সঙ্গে অন্যান্য উৎপাদনকারী দেশকেও এ ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জ্বালানির মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে নেতারা বলেন, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন হলে সমন্বিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পর জি-৭ নেতাদের নিয়ে জরুরি ভিডিও বৈঠকের আয়োজন করেন ম্যাক্রোঁ। ব্রিটেন, জাপান, কানাডা, জার্মানি ও ইতালিসহ জোটের সদস্যরা ওই আলোচনায় অংশ নেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার এমন অবস্থান ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য উদ্বেগ তৈরি করে। কারণ অঞ্চলটি জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল।