ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন ফিলিস্তিনপন্থি লুলা বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় পঞ্চম ঢাকা নির্বাচনের আগে ইরান হামলা নিয়ে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বে বিরোধ জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রাণ গেল বাংলাদেশী তরুণের স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সাথে গাদ্দারি হবে -প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে হবে : শিক্ষামন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডি-সিইও’র নিয়োগ বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ৭৭৬ বার পঠিত

কোলকাতার মুকুন্দপুর পশ্চিমবঙ্গের এখন চিকিৎসা হাব নামেই পরিচিত। এখানে এক এক করে অনেকগুলো সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট তাদের মেধ্যে অন্যতম। হাসপাতালটি আরএন টেগর নামেই বেশী পরিচিত। তবে এটি ‘দেবী শেঠী’র হাসপাতাল নামেও বিশেষ খ্যাত।

মুকুন্দপুরের এ হাসপাতালগুলো বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।

আরএন টেগর 

২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত নারায়ণ স্বাস্থ্য গোষ্ঠীর একটি চিকিৎসা সেবা ইউনিট। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট একটি ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল। নামের সাথে কার্ডিয়াক শব্দটি যুক্ত থাকায় হৃদরোগোর জটিলতায় ভোগা রুগীরা নিশ্চিন্তে এখানে আসেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

গত দেড় দশক ধরে আরএন টেগরে আসা-যাওয়া করি। হাসপাতালটি রেস্পেরোটির মেডিসিন বিভাগের ডাঃ সুজন বর্ধন আমার ছেলে সকালের নিয়মিত চিকিৎসক।

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং কারিগরি ও অস্ত্রপচার ইত্যাদি মিলিয়ে ১১২টি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেয় হাসপাতালটি। যদিও ব্যক্তি/কর্পোরেট সংস্থার হাসপাতাল হিসেবে ব্যয়টা একটু বেশী, তবে আধুনিক অটোমেশন মেডিকেল সিস্ট্রেম ব্যবহৃত হওয়ায় (দূরাগত) সবকিছুর স্বচ্ছতা নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বছর দেড়েক আগে আমার কলেজের সহকর্মী (!) মান্নান সাহের মারাত্বক কিডনীর সমস্যা নিয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এখাকান নেফ্র-সার্জারী বিভাগ তাঁর সফল কিডনী প্রতিস্থাপন করেছিল। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ্যই আছেন, নিয়মিত কলেজে যাচ্ছেন। পাঠন-পাঠনসহ সব দায়িত্বই পালন করছেন। তাঁর পোস্ট-অপারেটিভ আসিইউ’তে দেখা করার পারমিশন যোগাড় করে সাহস যোগাতে দু’টো কথা বলতে পারায় মনটা ভরে গেছিল আমার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

কোলকাতার মুকুন্দপুর পশ্চিমবঙ্গের এখন চিকিৎসা হাব নামেই পরিচিত। এখানে এক এক করে অনেকগুলো সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট তাদের মেধ্যে অন্যতম। হাসপাতালটি আরএন টেগর নামেই বেশী পরিচিত। তবে এটি ‘দেবী শেঠী’র হাসপাতাল নামেও বিশেষ খ্যাত।

মুকুন্দপুরের এ হাসপাতালগুলো বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।

আরএন টেগর 

২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত নারায়ণ স্বাস্থ্য গোষ্ঠীর একটি চিকিৎসা সেবা ইউনিট। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট একটি ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল। নামের সাথে কার্ডিয়াক শব্দটি যুক্ত থাকায় হৃদরোগোর জটিলতায় ভোগা রুগীরা নিশ্চিন্তে এখানে আসেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

গত দেড় দশক ধরে আরএন টেগরে আসা-যাওয়া করি। হাসপাতালটি রেস্পেরোটির মেডিসিন বিভাগের ডাঃ সুজন বর্ধন আমার ছেলে সকালের নিয়মিত চিকিৎসক।

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং কারিগরি ও অস্ত্রপচার ইত্যাদি মিলিয়ে ১১২টি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেয় হাসপাতালটি। যদিও ব্যক্তি/কর্পোরেট সংস্থার হাসপাতাল হিসেবে ব্যয়টা একটু বেশী, তবে আধুনিক অটোমেশন মেডিকেল সিস্ট্রেম ব্যবহৃত হওয়ায় (দূরাগত) সবকিছুর স্বচ্ছতা নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বছর দেড়েক আগে আমার কলেজের সহকর্মী (!) মান্নান সাহের মারাত্বক কিডনীর সমস্যা নিয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এখাকান নেফ্র-সার্জারী বিভাগ তাঁর সফল কিডনী প্রতিস্থাপন করেছিল। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ্যই আছেন, নিয়মিত কলেজে যাচ্ছেন। পাঠন-পাঠনসহ সব দায়িত্বই পালন করছেন। তাঁর পোস্ট-অপারেটিভ আসিইউ’তে দেখা করার পারমিশন যোগাড় করে সাহস যোগাতে দু’টো কথা বলতে পারায় মনটা ভরে গেছিল আমার।