সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে লঞ্চঘাট থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে এ ঘটনা ঘটে।
চাঁদপুর সদর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ আলমগীর হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযানের সময় স্পিডবোটটি ডুবে যায় এবং পুলিশের একটি শটগান নিখোঁজ হয়। ঘটনাস্থলে মতলব উত্তর থানা পুলিশ, মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও বেলতলী পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। তারা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং উদ্ধার কার্যক্রমের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এদিকে, মতলব উত্তর এলাকার নদীসীমায় চাঁদপুর নৌ-পুলিশের অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার ও অনুমতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চলছে নানা রকমের প্রশ্ন। স্থানীয়দের কারও কারও দাবি, এ এলাকায় অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সমন্বয় হচ্ছে কিনা। কেননা, এ নিয়ে নৌ পুলিশের ভিতরে চলছে নানা রকমের প্রশ্ন।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। জেলেদের ধাওয়া করার সময় ঠিক কী পরিস্থিতিতে স্পিডবোটটি ডুবে গেল, কীভাবে শটগানটি নিখোঁজ হলো এবং অভিযানের ক্ষেত্রে কোনো সমন্বয়গত জটিলতা ছিল কি না তা নিয়ে সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের অনেকে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, ডুবে যাওয়া স্পিডবোটটি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ শটগান উদ্ধারে ঘটনাস্থলে ডুবুরি দল নামানো হয়েছে।














