ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হলেন ফিলিস্তিনপন্থি লুলা বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় পঞ্চম ঢাকা নির্বাচনের আগে ইরান হামলা নিয়ে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বে বিরোধ জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রাণ গেল বাংলাদেশী তরুণের স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সাথে গাদ্দারি হবে -প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে হবে : শিক্ষামন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডি-সিইও’র নিয়োগ বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস

নির্বাচনের আগে ইরান হামলা নিয়ে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বে বিরোধ

এই দেশ এই সময় ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পঠিত

--- ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়াল জামির। ফাইল ছবি

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়াল জামিরের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ, এর আইনি বৈধতা এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে চ্যানেলটি জানায়, নেতানিয়াহুর দেওয়া সামরিক অভিযানের নির্দেশ কার্যকর করতে রাজি হননি সেনাপ্রধান জামির। এ বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযান পরিচালনার আইনি অনুমোদন রয়েছে—এমন একটি লিখিত নথিতে নেতানিয়াহুর স্বাক্ষরও চেয়েছিলেন জামির।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কী ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি চ্যানেল ১২। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানে নতুন করে হামলার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করেই এই মতবিরোধের সূত্রপাত।

মঙ্গলবারের নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বিরোধের খবর সামনে এসেছে। নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জরিপকারীরা।

চ্যানেল ১২ এক সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত অভিযানটি ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ওই কর্মকর্তা বলেন, এমন স্পর্শকাতর সময়ে এ ধরনের পদক্ষেপ ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ ছাড়া ইরান ইস্যুকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর আগে আরেকটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ইরানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়ে কাজ করতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এই মতবিরোধের খবর এমন সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার আবারও নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো। তারা একসঙ্গে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে সফল হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

পোস্টে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী ও অর্থনীতিও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইরানের ওপর নৌ অবরোধের কারণে দেশটি তেল পাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরানের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের দুটি স্তরই হারিয়ে গেছে। ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় নেতানিয়াহুকে দক্ষ ও সাহসী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে ভোট দিয়ে ইরান ইস্যুতে শুরু করা কাজ শেষ করার আহ্বান জানান ট্রাম্প।

এদিকে, নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে রোববার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি ছবিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। ছবিতে তেল আবিবে পারমাণবিক বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখানো হয়। ছবিটি প্রকাশ করে তিনি সতর্ক করেন, তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে ভোট দিলে ইসরায়েলিরা ‘দ্বিতীয় হলোকাস্টের’ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

পোস্টে ডানপন্থী কর্মী ইউভাল ব্লুমবার্গের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, ইসরায়েল এখন সরাসরি অস্তিত্বের হুমকির মুখে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যেতে পারে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করতে ট্রাম্পের হাতে আরও দুই বছর সময় রয়েছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা নিশ্চিত নয়। তাই ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সক্ষম এমন একজন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলের প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়।

অন্যদিকে, ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত নির্বাচনের সর্বশেষ পূর্বাভাসেও দেশটির রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন জোট কিংবা বিরোধী জোট—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনের আগে ইরান হামলা নিয়ে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বে বিরোধ

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়াল জামিরের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ, এর আইনি বৈধতা এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে চ্যানেলটি জানায়, নেতানিয়াহুর দেওয়া সামরিক অভিযানের নির্দেশ কার্যকর করতে রাজি হননি সেনাপ্রধান জামির। এ বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযান পরিচালনার আইনি অনুমোদন রয়েছে—এমন একটি লিখিত নথিতে নেতানিয়াহুর স্বাক্ষরও চেয়েছিলেন জামির।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কী ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি চ্যানেল ১২। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানে নতুন করে হামলার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করেই এই মতবিরোধের সূত্রপাত।

মঙ্গলবারের নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বিরোধের খবর সামনে এসেছে। নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জরিপকারীরা।

চ্যানেল ১২ এক সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত অভিযানটি ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ওই কর্মকর্তা বলেন, এমন স্পর্শকাতর সময়ে এ ধরনের পদক্ষেপ ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ ছাড়া ইরান ইস্যুকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর আগে আরেকটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ইরানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়ে কাজ করতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এই মতবিরোধের খবর এমন সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার আবারও নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো। তারা একসঙ্গে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে সফল হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

পোস্টে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী ও অর্থনীতিও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইরানের ওপর নৌ অবরোধের কারণে দেশটি তেল পাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরানের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের দুটি স্তরই হারিয়ে গেছে। ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় নেতানিয়াহুকে দক্ষ ও সাহসী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে ভোট দিয়ে ইরান ইস্যুতে শুরু করা কাজ শেষ করার আহ্বান জানান ট্রাম্প।

এদিকে, নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে রোববার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি ছবিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। ছবিতে তেল আবিবে পারমাণবিক বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখানো হয়। ছবিটি প্রকাশ করে তিনি সতর্ক করেন, তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে ভোট দিলে ইসরায়েলিরা ‘দ্বিতীয় হলোকাস্টের’ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

পোস্টে ডানপন্থী কর্মী ইউভাল ব্লুমবার্গের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, ইসরায়েল এখন সরাসরি অস্তিত্বের হুমকির মুখে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যেতে পারে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করতে ট্রাম্পের হাতে আরও দুই বছর সময় রয়েছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা নিশ্চিত নয়। তাই ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সক্ষম এমন একজন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলের প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়।

অন্যদিকে, ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত নির্বাচনের সর্বশেষ পূর্বাভাসেও দেশটির রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন জোট কিংবা বিরোধী জোট—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।